Google search engine

মিরপুর টেস্টে দ্বিতীয় দিন যেখানে শেষ করেছিলেন, তৃতীয় দিন সেখান থেকেই শুরু করেছিলেন নাজমুল হোসেন ও জাকির হাসান। ৩৭৬ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে নেমে এই জুটিতে সাড়ে চারশোর কাছাকাছি লিড নিয়ে ব্যাটিং করছে বাংলাদেশ। গতদিন হাফ সেঞ্চুরি হাঁকানো দুইটারই হাঁটছিলেন সেঞ্চুরির পথে। কিন্তু রান আউট হয়েছেন জাকির। তবে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন শান্ত।

 

আগের দিন এক উইকেটে ১৩৪ রান নিয়ে দিন শেষ করা বাংলাদেশকে নতুন দিনেও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটা ভালোভাবেই করছিলেন শান্ত-জাকির। তবে জাকিরের তুলনায় শান্ত একটু বাড়তি আক্রমণাত্মক ভাবেই রান যোগ করতে থাকেন স্কোরবোর্ডে।

 

দলকে দেড়শোর ঘরে নিয়ে যাওয়ার সঙ্গে শান্ত হাঁটতে থাকেন সেঞ্চুরির পথেও। কিন্তু নব্বইয়ের ঘরে ঘিরে তিনি সঙ্গীকে হারিয়ে ফেলেন। রান আউটে কপাল পুড়ে জাকিরের। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়ে তাকে। ৭১ রানে আউট হন তিনি।

 

সঙ্গী রান আউটে বিদায় নিলেও মুমিনুল হককে নিয়ে নিজের মাইলফলকের দিকে হাঁটতে থাকেন শান্ত। রহমত শাহ’র ওভারকে পায়ের কাছে পাওয়া বল হালকা করে খেলে সিঙ্গেল নিয়ে এই ক্রিকেটার পৌঁছে যান আরও একটি সেঞ্চুরিতে। দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে এক টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি হাঁকানোর কীর্তি গড়েন তিনি।

 

এর আগে বাংলাদেশের পক্ষে জোড়া সেঞ্চুরি হাঁকানোর কীর্তিটি ছিল শুধু মুমিনুল হকের। ক্রিকেট ইতিহাসের ৯১তম ব্যাটার হিসেবে এই কীর্তি এখন শান্তর। এরপর ১২২ রান নিয়ে লাঞ্চ থেকে ফিরে বেশি কিছু করতে পারেননি শান্ত। জহির খানের করা ইয়র্কার ডেলিভারিতে অন সাইডে ব্যাট চালিয়েছিলেন শান্ত।

 

যদিও ঠিকঠাক মতো না হলে ব্যাটের নিচের দিকে লেগে বল চলে যায় শর্ট মিড উইকেটে। সেখানে সহজ ক্যাচ নিয়েছেন হাশমতউল্লাহ শহীদি। যদিও আউটটি নিয়ে কিছুটা শঙ্কা ছিল। ব্যাটে লাগার পর বল মাটিতে লেগেছে কিনা তা দেখার জন্য থার্ড আম্পায়ারের কাছে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য পাঠান ফিল্ড আম্পায়াররা। থার্ড আম্পায়ার পর্যবেক্ষণ করে শান্তকে আউট দেন। আর তাতেই শেষ হয় শান্তর ১২৪ রানের ইনিংস। আর তাতে মুমিনুল হকের সঙ্গে তার ৮৬ রানের জুটি ভাঙে।

এরপর অতি আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে জহির খানের দ্বিতীয় শিকার হয়েছেন মুশফিক। নিজের খেলা দ্বিতীয় বলেই স্লগ সুইপে দারুণ এক চার মেরেছিলেন মুশফিক। পরের বলটি রিভার্স সুইপ খেলার চেষ্টায় ব্যাটে ঠিকঠাক করতে পারেননি তিনি। বল গ্লাভসে লেগে স্লিপে ক্যাচ হয়। এরপর লিটন দাসকে নিয়ে ৬৭ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৭তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল।

 

৪৮ রান নিয়ে চা পানের বিরতিতে গিয়েছিলেন লিটন। সেখান থেকে ফিরেই জহির খানকে স্কুপ করে চার মেরে টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৬তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন। এরপর আজমতউল্লাহ আহমদজাইকে আপার কাটে চার মেরে ২৬ মাস পর ২৬ ইনিংস পর টেস্ট ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি।

Google search engine

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here