
২০২০ সালে যুব বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে প্রথম কোনো আইসিসি ইভেন্ট জিতেছে বাংলাদেশ। ওই দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার জাতীয় দলেও খেলে ফেলেছেন। এশিয়া কাপ দিয়ে প্রথমবার ডাক পেলেন তানজিদ হাসান তামিম। যুব বিশ্বকাপ জয়কে অতীত বললেও স্বপ্ন দেখালেন মূল বিশ্বকাপ জয়েরও।
চোটের কারণে এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে গেছেন তামিম ইকবাল খান। শঙ্কা আছে বিশ্বকাপ নিয়েও। তাইতো বাড়তি ওপেনার নিয়েই এশিয়া কাপে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সুযোগ পেয়েছেন তামিমকে আদর্শ মেনে ক্রিকেট শুরু করা তানজিদ তামিম।
এশিয়া কাপের স্কোয়াডে তার যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের আরও তিন সতীর্থ হলেন তাওহিদ হৃদয়, শরিফুল ইসলাম ও শামীম পাটোয়ারি। পুরনো সতীর্থদের নিয়ে এবার মূল বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন তামিমের।
আজ (১৭ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনে তরুণ এই বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘আমরা যেটা অর্জন করছি সেটা তো অতীত এখন। সবার মধ্যে একটাই কথা হয়, একটা স্বপ্ন, বড়দের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা। সবারই যখন দেখা হয়, সামনে যেহেতু ওয়ানডে বিশ্বকাপ একটা জিনিসই মাথায় কাজ করে, আমরা এশিয়া কাপ বা যত টুর্নামেন্টই খেলি ব্যাক অব দ্য মাইন্ডে কিন্তু বিশ্বকাপ থেকেই যায়–ইনশা আল্লাহ চেষ্টা করব এবার। যদি কপালে থাকে ইনশা আল্লাহ হয়ে যাবে।’
যুব বিশ্বকাপ জয়ের পর তামিম কিছুটা আড়ালেই চলে গিয়েছিলেন পারফরম্যান্সের দিক থেকে। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে ফর্মে ফিরেছেন। সর্বশেষ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) ব্রাদার্স ইউনিয়নের হয়ে কাটিয়েছেন দারুণ টুর্নামেন্ট। তবে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পথে সর্বশেষ ইমার্জিং এশিয়া কাপের পারফরম্যান্স ছিল মূল প্রভাবক।
বাজে সময় পেছনে ফেলা নিয়ে তানজিদ তামিম যোগ করেন, ‘আসলে দেখেন, প্রত্যেক ক্রিকেটারের জীবনে ভালো সময় খারাপ সময় আসবেই। এটা মেনে নিতে হবে। খারাপ সময়টা কীভাবে কাটিয়ে উঠব সেই জিনিসটা মূল ব্যাপার। চেষ্টা করছি ওই সময় খারাপ সময়টাই কীভাবে কাটিয়ে ওঠা যায়। বিভিন্ন কোচের সঙ্গে কথা বলছি। আমার যেখানে সমস্যা-দুর্বলতা ছিল, সেগুলো নিয়ে কাজ করছি। ধীরে ধীরে এভাবে রানে ফিরছি। এই জিনিসগুলো নিয়ে কাজ করে।’
