
চলতি আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে বেঙ্গালুরুকে হারিয়ে চেন্নাইয়ের জার্সিতে শুভ সূচনা করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। পাঞ্জাবের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এবারের আইপিএল শেষ হল ফিজের। বিদায়ী ম্যাচটা জয়ে রাঙাতে পারলেন না টাইগার পেসার। নিজেদের দশম ম্যাচে পাঞ্জাবের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে চেন্নাই।
এমএ চিদাম্বরাম স্টেডিয়ামে বুধবার আইপিএলের ৪৯তম ম্যাচে পাঞ্জাবের মুখোমুখি হয়েছিল চেন্নাই। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬২ রানের পুঁজি পায় স্বাগতিক দলটি। জবাবে ১৭.৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে পাঞ্জাব।
রানতাড়ায় নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় পাঞ্জাব। ১০ বলে ১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন প্রাভসিমরান সিং। এরপর রাইলি রুশোকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন জনি বেয়ারস্টো। দুজনের ব্যাটে ভর করে জয়ের পথে এগোতে থাকে পাঞ্জাব।
ফিফটি কাছ থেকে ফিরতে হয়েছে দুই ব্যাটারকেই। ৩০ বলে ৪৬ রান করে বেয়ারস্টো আউট হন, ২৩ বলে ৪৩ রান করে তাকে সঙ্গ দেন রুশো।
পরে পাঞ্জাবের হাল ধরেন শশাঙ্ক সিং এবং স্যাম কারেন। শেষপর্যন্ত শশাঙ্কের ২৬ বলের ২৫ রান এবং কারেনের ২০ বলে অপরাজিত ২৬ রানে ভর করে সাত উইকেট এবং ১৩ বল হাতে থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় পাঞ্জাব।
চেন্নাইযের হয়ে উইকেট না পেলেও ইকোনমির (৫.৫০) দিক থেকে দলের সেরা বোলার মোস্তাফিজই। যেখানে চেন্নাইয়ের বাকি বোলারদের ওভারপ্রতি খরচ ৭ রানের বেশি।
এর আগে ব্যাটে নেমে শুরুটা দারুণ করেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার আজিঙ্কা রাহানে ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড। পাওয়ার প্লে’তে কোনো উইকেট না হারিয়ে স্কোরবোর্ডে জমা করেন ৫৫ রান।
নবম ওভারে ২৪ বলে ২৯ রান করে রাহানে আউট হলে এলোমেলো হয়ে যায় চেন্নাইয়ের ব্যাটিং। শিভাম দুবে থেকে শুরু করে রবীন্দ্র জাদেজা-মহেন্দ্র সিং ধোনি কেউই জ্বলে উঠতে পারেননি।
স্রোতের বিপরীতে শুধু লড়াই চালিয়ে যান অধিনায়ক ঋতুরাজ। তার লড়াইয়ে ভর করে কোনোমতে দেড়শ ছড়িয়ে পুঁজি পায় চেন্নাই। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬২ রান আসে ঋতুরাজের ব্যাট থেকে। ৪৮ বলে যা সাজানো ছিল ৫ চার ও দুই ছক্কায়।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ বলে ২১ রান করেন সামের রিজভি। ধোনি ও মঈন আলীর ব্যাট থেকে আসে যথাক্রমে ১৪ ও ১৫ রান।
পাঞ্জাবের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন হরপ্রীত ব্রার ও রাহুল চাহার। কাগিসো রাবাদা ও আর্শদীপ সিং শিকার করেন একটি করে উইকেট।
