
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে বল হাতে দারুণ করেছেন বোলাররা, ব্যাটে লিটন-শান্তরা ভালো করতে না পারলেও দারুণ করেছেন তাওহীদ হৃদয় ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সেটির ফলও এসেছে। আইসিসির সবশেষ প্রকাশিত র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ হোসেনদের। অবনতি হয়েছে শরিফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদের।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ১৫ দিন আগে বুধবার র্যাঙ্কিংয়ের হালনাগাদ প্রকাশ করেছে আইসিসি। বলে চোখে লাগার মতো উন্নতি করেছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। ২১ ধাপ এগিয়ে ঢুকেছেন সেরা একশোয়। ৩৮৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এসেছেন ৮৯ নম্বরে। বাংলাদেশি বোলারদের শীর্ষে আছেন তাসকিন আহমেদ। তিন ধাপ এগিয়ে ৫৭৯ রেটিং নিয়ে এসেছেন ২৩ নম্বরে। উন্নতি করেছেন মোস্তাফিজও। ৫ ধাপ এগিয়ে ৫৭২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এসেছেন ২৫ নম্বরে। সাকিব আল হাসান এগিয়েছেন ১ ধাপ, ৫৫৬ রেটিং নিয়ে উঠেছেন ৩০ নম্বরে।
বল হাতে সবচেয়ে অবনতি হয়েছে শেখ মেহেদীর। ৭ ধাপ নিচে নেমে গেছেন। ৫৫৯ পয়েন্ট নিয়ে তার বর্তমান অবস্থান ২৯ নম্বরে। হাসান মাহমুদ নেমেছেন ৬ ধাপ। ৪৫৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ওবেদ ম্যাককয়ের সাথে যৌথভাবে আছেন ৫৭ নম্বরে। শরিফুল দুধাপ অবনতি হয়ে নেমেছেন ৪২ নম্বরে, তার রেটিং ৪৮৬। নাসুম আহমেদও নেমেছেন দুধাপ। ৪৭৮ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে আছেন ৪৫ নম্বরে। ৭২৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বল হাতে শীর্ষে রয়েছেন ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভানিডু হাসারাঙ্গার রেটিং পয়েন্ট ৬৮৭।
ব্যাটে উন্নতি করেছেন তাওহীদ হৃদয়। ১৮ ধাপ এগিয়েছেন টপঅর্ডারের ব্যাটার। ৪২২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে উঠেছেন ৭২ নম্বরে। ৬ ধাপ উন্নতি করেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৪১৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে উঠে এসেছেন ৭৫ নম্বরে।
ব্যাটারদের মধ্যে টাইগারদের শীর্ষে অবস্থান লিটন দাসের। সাম্প্রতিক ফর্মহীনতা প্রভাব ফেলেছে তার র্যাঙ্কিংয়েও। চার ধাপ পিছিয়ে ৫৩৪ রেটিংয়ে নেমে গেছেন ৩৫ নম্বরে। টাইগার অধিনায়ক শান্ত নেমেছেন ৬ ধাপ। ৫২৬ রেটিং নিয়ে ইংল্যান্ডের লিয়াম লিভিংস্টোনের সাথে যৌথভাবে আছেন ৪০ নম্বরে। ১০ ধাপ পিছিয়ে ৪১৪ রেটিং নিয়ে ৭৯ নম্বরে নেমেছেন আফিফ হোসেন। বল হাতে উন্নতি করলেও ব্যাট হাতে ৮ ধাপ নেমেছেন সাকিব আল হাসান। ৪১১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে নেমেছেন ৮০ নম্বরে। ৮৬১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন ভারতের সূর্যকুমার যাদব। ৭৮১ পয়েন্ট নিয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মোহাম্মদ রিজওয়ান।
অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে আছেন সাকিব আল হাসান। এককভাবে এক নম্বর স্থানটি দখলে নেই তার। তার সিংহাসনে ভাগ বসিয়েছেন শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার ভানিডু হাসারাঙ্গা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম তিনটিতে খেলেননি সাকিব। র্যাঙ্কিংয়ে সেটির প্রভাব পড়েছে। মি. অলরাউন্ডারের তিন রেটিং পয়েন্ট কমায় তার সঙ্গে যৌথভাবে হাসারাঙ্গা শীর্ষে উঠেছেন। দুজনের বর্তমান রেটিং পয়েন্ট ২২৮।
১০ রেটিং পয়েন্ট হারানো অভিজ্ঞ মোহাম্মদ নবী তৃতীয় স্থানে আছেন। আফগান ক্রিকেটারের ঝুলিতে রয়েছে ২১৮ রেটিং পয়েন্ট। দুধাপ এগিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠেছেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। সাউথ আফ্রিকার এইডেন মার্করাম একধাপ নেমে পাঁচে অবস্থান করছেন।
অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে টাইগারদের মধ্যে উন্নতি করেছেন মাহমুদউল্লাহ ও রিশাদ। ৬ ধাপ এগিয়ে ৬০ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে নেপালের গুলশান ঝা’র সাথে আছেন ৬০ নম্বরে। তিন ধাপে এগিয়েছেন রিশাদ। ৫০ রেটিং নিয়ে নেপালের কারান কেসির সঙ্গে অবস্থান করেছেন ৭৪ নম্বরে। সৌম্য এগিয়েছেন এক ধাপ। ৩৮ রেটিং নিয়ে রবীন্দ্র জাদেজা, দীপক হুদা এবং উগান্ডার দিনেশ নাকারনির সঙ্গে আছেন ৯৬ নম্বরে।
সবচেয়ে অবনতি হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের। নিয়মিত টি-টুয়েন্টি খেলার সুযোগ না মেলায় ১০ ধাপ নেমেছেন এ অলরাউন্ডার। ৩৭ রেটিং নিয়ে তার বর্তমান অবস্থান ৯৮ নম্বরে, সঙ্গী সাউথ আফ্রিকার কাগিসো রাবাদা। ৬ ধাপ নেমেছেন আফিফ হোসেন। ৫৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ৬২ নম্বরে আছেন স্কটল্যান্ডের ক্রিস গ্রিভস এবং নিউজিল্যান্ডের মিচেল ব্রেসওয়েলের সঙ্গে। ৪ ধাপ পিছিয়ে ৪০ নম্বরে নেমেছে শেখ মেহদী। ৮১ রেটিং নিয়ে যৌথভাবে অবস্থান করেছেন জিমি নিশাম, স্যাম কারেন এবং পাপুয়া নিউ গিনির চার্লস এমিনির সঙ্গে।
