Google search engine

আর মাত্র ১৬ দিন পর টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের পর্দা উঠছে। অথচ ব্যাটিং অর্ডার কেমন হবে তা এখনো নির্ধারণ করতে পারেনি বাংলাদেশ দল। টিম ম্যানেজমেন্ট টপঅর্ডারে পরিবর্তনের কথা ভাবছে। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে তিনে নামানোর বিষয়টি বিবেচনাধীন।

টাইগারদের সাবেক অধিনায়ক সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে পাঁচ কিংবা ছয়ে ব্যাট করেছেন। অতীতে টপঅর্ডারে তার পারফরম্যান্স তুলনামূলক ভালো ছিল।

পরিসংখ্যান বলছে, তিনে ব্যাটিংয়ে নেমে টি-টুয়েন্টির এক নম্বর অলরাউন্ডার ২৯.৩২ গড়ে ১২৩.১৫ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ১,০৮৫ রান। চারে রান ও গড় কমলেও স্ট্রাইক রেট বেশি। ৮৮০ রান তুলেছেন ২২.৫৬ গড়ে, স্ট্রাইক রেট ১২৭.১৬। পাঁচে ব্যাট হাতে তার দ্যুতি বেশ কম। মাত্র ১৬.২৬ গড়ে ১১০.৭৫ স্ট্রাইক রেটে পেয়েছেন ৩০৯ রান। খুব বেশি ম্যাচে ছয় নম্বরে নামেননি। মাত্র ৯১ রানের বেশি না পেলেও গড় ছিল ৩০.৩৩, স্ট্রাইক রেট ১৩০।

৩৭ বর্ষী সাকিব জাতীয় দল জার্সিতে ১২টি হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন, যার ৭টি তিনে নেমে হাঁকিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সবশেষ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে এই পজিশনেই নেমেছিলেন।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত গত ১২ মাস ধরে বাংলাদেশের হয়ে তিনে ব্যাট করেছেন। যদিও ২৫ বর্ষী বাঁহাতি ব্যাটার গত বিশ্বকাপে ওপেনার হিসেবে খেলেছেন।

কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহের মতে, দলের কোনো ব্যাটারেরই বিশ্বকাপে ব্যাটিং পজিশন নির্ধারিত নয়। তার সাফ কথা, খেলার পরিস্থিতি ও পিচের অবস্থার উপর ভিত্তি করে সব খেলোয়াড়কে যেকোনো পজিশনে ব্যাট করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

‘টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তন হবে। এটাই সাধারণ ক্রিকেট। কোথায় ব্যাট করেন এবং কতটা ভালো ব্যাট করেন, সেটাই আসল ব্যাপার।’

অধিনায়ক শান্ত জানিয়েছেন, সাকিবকে তিনে ওঠানোর বিকল্প পন্থাটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। বলেছেন, ‘সাকিব তিনে ব্যাট করবেন কিনা, এটা নির্ভর করছে কন্ডিশন এবং প্রতিপক্ষের শক্তির উপর। ওনার তিনে নামার বিষয়টা ঘটতে পারে।’

Google search engine