
২০১৭ সালের জুলাইয়ে অস্ট্রেলিয়া সফরে নর্দার্ন টেরিটোরির বিপক্ষে দারুণ খেলেছিল হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিট। ওয়ানডে সিরিজ ৫-০ ব্যবধানে জেতার পর চারদিনের ম্যাচে নাটকীয় জয় পেয়েছিল লিটন দাসের দল। এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, ইবাদত হোসেন এইচপির অংশ হয়েছিলেন সে সফরে। ৭ বছর পর অস্ট্রেলিয়া সফরে যাচ্ছে এইচপি।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলের দরজায় কড়া নাড়তে পারেন এমন তরুণদের পাশাপাশি জাতীয় দলে ফেরার লড়াইয়ে রয়েছেন এমন কয়েকজনও সুযোগ পেয়েছেন স্কোয়াডে। তাদের মধ্যে অন্যতম আবু হায়দার রনি, সাদমান ইসলাম, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, মাহমুদুল হাসান জয়, পারভেজ হোসেন ইমন, শাহাদাত হোসেন দীপু।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক আকবর আলীকেও রাখা হয়েছে স্কোয়াডে। আছেন রুয়েল মিয়া, হাসান মুরাদ, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, রাকিবুল হাসান, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। জাতীয় দলে ডাক পেয়েও চোটের কারণে খেলতে না পারা রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলামকে রাখা হয়েছে অস্ট্রেলিয়া সফরের দলে।
আগামী শনিবার অস্ট্রেলিয়ার পথে রওনা হবে বাংলাদেশ হাই-পারফরম্যান্স ইউনিট। ১৯-২২ ও ২৬-২৯ জুলাই দুটি চারদিনের ম্যাচের পর ১ থেকে ৬ আগস্ট একটি ত্রিদলীয় ওয়ানডে সিরিজ খেলবে এইচপি দল।
এরপর ৯ দলীয় একটি টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলে ১৯ আগস্ট দেশের পথ ধরবে। ফিরে বগুড়া ও রাজশাহীতে দুই ধাপে ক্যাম্প করবে এইচপি দল। ছায়া জাতীয় দল বাংলা টাইগার্সের সঙ্গেও ম্যাচ খেলবে তারা।
২৫ তরুণ ক্রিকেটারকে নিয়ে গত ২০ মে থেকে চলেছে অনুশীলন ক্যাম্প। পুরো প্রোগ্রাম মাস চারেকের। এরমধ্যে রাখা হয় অস্ট্রেলিয়া সফর।
তিন ফরম্যাটে খেলতে ২৫ ক্রিকেটার যাচ্ছেন। যদিও বিশেষ বিবেচনায় এইচপির বাইরে থেকে ১০ জনের মতো ক্রিকেটারকে সফরের জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এইচপি দলের প্রধান কোচ ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোরি কলিমোর। ব্যাটিং কোচ হিসেবে যাচ্ছেন রাজিন সালেহ আর ফিল্ডিং কোচ গোলাম মোর্ত্তজা।
