Google search engine

সবুরে নাকি মেওয়া ফলে। টানা দুইবার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেও শিরোপা না ছুঁয়ে দেখতে পারা নিউজিল্যান্ডের মেয়েরা অবশেষে দীর্ঘ ১৪ বছর নিজেদের আক্ষেপ ঘুচালো। নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তৃতীয়বারের প্রচেষ্টায় দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে অবশেষে উঁচিয়ে ধরলো আরাধ্যের বিশ্বকাপ।

রবিবার (২০ অক্টোবর) দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বিগ ফাইনালে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই জর্জিয়া প্লিমারকে হারায় কিউইরা। এরপর অ্যামেলিয়া কারকে নিয়ে ৩৭ রানের জুটি গড়েন সুজি বেটস। দলীয় ৫৩ রানে ব্যাক্তিগত ৩২ রানে সুজি আউট হয়ে গেলে মাঠে নামে অধিনায়ক সোফি। যদিও তিনি বেশিক্ষণ মাঠে টিকেননি। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে দলের রানের চাকা সচল রাখেন অ্যামেলিয়া। চতুর্থ উইকেটে ব্রুক হ্যালিডের সাথে ৫৭ রানের জুটি গড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে কিউই মেয়েরা স্কোরবোর্ডে ১৫৮ রান তোলে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন অ্যামেলিয়া কার। এছাড়া ব্রুক হ্যালিডে করেন ৩৮ রান। প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন ননকুলুলেকো ম্লাবা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে আফ্রিকার মেয়েরা। উদ্ভোধনী জুটিতেই আসে ৫১ রান। এরপর তাজমিন ব্রিটস আউট হয়ে গেলে ম্যাচে প্রথমবারের মতো ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর ব্যাক্তিগত ৩৩ রান করে অধিনায়ক লরা উলভার্ট ফিরে গেলে আরও চাপে পড়ে যায় প্রোটিয়া মেয়েরা। শেষ পর্যন্ত আর কেউ রুখে দাঁড়াতে না পারায় নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রানেই থেমে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে ৩২ রানের জয়ে প্রথমবারের মতো নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নিউজিল্যান্ডের মহিলা ক্রিকেট দল।

এদিকে প্রথমে ব্যাট হাত হাতে ৪৩ রান করা অ্যামেলিয়া বল হাতেও নিয়েছেন ৩টি উইকেট। ফলে ম্যান অফ দ্য ফাইনাল নির্বাচনে আলাদা করে কাউকেই ভাবতে হয়নি। কিউইদের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের দিন ব্যাক্তিগত সাফল্যেও ভেসেছেন তিনি। ম্যান অফ দ্য ফাইনালের সাথে পেয়েছেন টুর্নামেন্ট সেরার পুরষ্কারও। ফলে সোফি-বেটসদের বিশ্বজয়ে আলাদা করে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন অ্যামেলিয়া কারও।

Google search engine