Google search engine

বছরের প্রথম টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমেই সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন কুশাল পেরেরা। তার ১০১ রানের ইনিংসে ভর করে ২১৮ রানের পুঁজি পায় শ্রীলঙ্কা। জয়ের জন্য খেলতে নেমে ২১১ রানে শেষ হয় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। এতে ৭ রানের জয় পায় সফরকারী শ্রীলঙ্কা।

আগের দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ থেকে আগেই ছিটকে যায় শ্রীলঙ্কা। এই জয়ে ব্যবধান কমে (২-১) ধবলধোলাইয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল লঙ্কানরা।

স্যাক্সটন ওভালে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে টসে জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় নিউজিল্যান্ড। ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ারপ্লেতে পাথুম নিসাঙ্কা এবং কুশাল মেন্ডিসের উইকেট হারিয়ে ৪৯ রান সংগ্রহ করে লঙ্কানরা। তৃতীয় উইকেটে কুশাল পেরেরা এবং আভিস্কা ফার্নান্দো ৪১ রান যোগ করেন।

৮৩ রানে তৃতীয় উইকেটে পতনের পর অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কার সঙ্গে জুটি গড়েন পেরেরা। এই জুটিতে মাত্র ৪৫ বলে আসে ১০০ রান। ১৮৩ রানে আউট হওয়ার আগে ২৪ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলেন আসালাঙ্কা। আসালাঙ্কার বিদায়ের পর শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি নিয়ে মাঠ ছাড়েন কুশাল পেরেরা। ৪৬ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ৫ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কা ২১৮ রান সংগ্রহ করে।

২১৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। পাওয়ারপ্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬৩ রান সংগ্রহ করে কিউইরা। ৮১ রানে নিউজিল্যান্ডের প্রথম উইকেটের পতন ঘটে। ২১ বলে ৩৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন টিম রবিনসন। রবিনসনের বিদায়ের পর দ্রুত মার্ক চ্যাপম্যান, গ্লেন ফিলিপসের উইকেট হারায় কিউইরা। এ দু’টি উইকেট তুলে নেন লঙ্কান অধিনায়ক আসালাঙ্কা।

একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাটিং করা ওপেনার রাচিন রবীন্দ্রকেও সাজঘরে ফেরান আসালাঙ্কা। ১২৯ রানের ৪র্থ উইকেটের পতন ঘটে। আউটের আগে ৩৯ বলে ৬৯ রান করেন রাচিন রবীন্দ্র। পঞ্চম উইকেটে ড্যারিল মিচেল এবং মিচেল হে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। তাদের ১৭ বলে ৩৯ রানের জুটি ভাঙেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।

মিচেল হে’র পর মিচেল ব্রেসওয়েল এবং ড্যারিল মিচেল আউট হয়ে সাজঘরে ফিরলে নিউজিল্যান্ডের জন্য জেতা অনেক কঠিন হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত মিচেল স্যান্টনার ও জাকারি ফোলকেস আপ্রাণ চেষ্টা করেও জেতাতে পারেনি। ২১১ রানে শেষ হয় কিউইদের ইনিংস।

Google search engine