
নিঃসঙ্গ শেরপার মতো একাই লড়ে সেঞ্চুরি করলেন থিসারা পেরেরা। তবুও ঢাকা ক্যাপিটালসে জেতাতে পারলেন না শ্রীলঙ্কান ব্যাটার। তাই প্রতিপক্ষ বদলে গেলেও ঢাকার ভাগ্যে কোনো পরিবর্তন নেই। যার ফল বিপিএলে তিন ম্যাচ খেলে টানা তৃতীয় হার।
আজ নায়ক শাকিব খানের দলকে হ্যাটট্রিক হারের তিক্ত স্বাদ দিয়েছে খুলনা টাইগার্স।
ঢাকার ২০ রানের হারটি আরো বড় হতে পারত। সেটা হতে দেননি দলের অধিনায়ক পেরেরা। শেষ দিকে অনবদ্য ১০০ রানের ইনিংস খেলে দলের পরাজয় কমিয়েছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক অলরাউন্ডার।
৬০ বলের দুর্দান্ত ইনিংসটি সাজান ৯ চার ও ৭ ছক্কায়। স্বদেশি চতুরাঙ্গা ডি সিলভার সঙ্গে সপ্তম উইকেটে গড়েন ১১২ রানের অপরাজিত জুটি।
যেখানে বাঁহাতি ব্যাটার সিলভার অবদান শুধু ১১ রান। সিলভা যদি তার সঙ্গে তাল মেলাতে পারতেন তাহলে ম্যাচটাই জিততে পারত ঢাকা।
তাই খুলনাকে ভয়ই পাইয়ে হারের তিক্ত স্বাদ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে বিপিএলে প্রথম সেঞ্চুরি করা পেরেরাকে। আজকের দিনটা অবশ্য সেঞ্চুরির। এর আগে দিনের ম্যাচে চিটাগাং কিংসের হয়ে বিপিএলে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেছেন উসমান খান। পাকিস্তানি ব্যাটার দলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লেও পেরেরার কপালে তা জোটেনি।
এর আগে ১৭৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং ধসে পড়ে ঢাকা।
দলের ২৬ রান না পেরোতেই ৪ উইকেট হারায় তারা। প্রতিপক্ষের উইকেট চারটি ভাগাভাগি করে নেন দুই বোলার মেহেদী হাসান মিরাজ-আবু হায়দার রনি। অফ স্পিনার মিরাজ পরে আরেকটি উইকেট নিয়ে দলের জয়ে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন। নির্ধারিত ৪ ওভারে মাত্র ৬ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন খুলনার অধিনায়ক।
টি-টোয়েন্টিতে কোনো দলকে জয় পেতে হলে টপ অর্ডারদের থেকে দুর্দান্ত শুরু প্রয়োজন। বিশেষ করে উদ্বোধনী জুটিতে। কিন্তু তা সর্বশেষ দুই ম্যাচেই করতে পারেনি দলটির দুই ওপেনার। প্রতি ম্যাচেই শুরুতে রণে ভঙ্গ দিয়েছেন লিটন দাস। সর্বশেষ ম্যাচে ডাক মারা উইকেটরক্ষক ব্যাটার আজ করেছেন ২ রান। আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম করেছেন ১৯ রান। আউট হওয়া বাকি ব্যাটাররা আর কেউই দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেনি।




