Google search engine

মাঠে চলছে বিপিএল। দেশের ক্রিকেটের বড় মুখেদের অন্যতম সাকিব আল হাসান নেই এই আসরে। সামনে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির বৈশ্বিক আসর। তার আগে দেশি ক্রিকেটারদের জন্য নিজেদের ঝালিয়ে নেয়ার মঞ্চ এবারের বিপিএল। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে আলো ঝলমলে আসরেই নেই সাকিব। বরং একইসময়ে তিনি নাম লিখিয়েছেন বুড়োদের লিজেন্ডস লিগে।

এদিকে তামিম ইকবাল অবসর ভেঙে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এসেছেন। কিন্তু এরপর থেকে জাতীয় দলের হয়ে খেলেননি। কাগজে কলমে অবসর না নিলেও তামিম ইকবাল জাতীয় দলেরও কেউ নন। এরইমাঝে সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার শহিদ আফ্রিদির ভিডিওতে বলেছেন, জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ তার জন্য।

আর এসব ইস্যুই বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভক্ত-সমর্থকদের মাঝে উসকে দিয়েছে প্রশ্ন। চলতি মাসের ১২ তারিখের মধ্যে ১৫ সদস্যের দল আইসিসির কাছে জমা দিবেন বিসিবির নির্বাচকরা। সেখানে সাকিব এবং তামিম ইকবালকে দেখা যাবে কি না তা নিয়ে ক্রিকেটপাড়ায় আছে নানা গুঞ্জন। তবে এক নির্বাচক ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন, নিদিষ্ট করে তারিখ এখনো নিশ্চিত নয় কবে জমা দিবেন।

পরের প্রশ্নটা ছিল সাকিবের এবং তামিমের খেলা নিয়ে। সেই নির্বাচক জানালেন, বোর্ডের তরফ থেকে এখনো নিদিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি৷ সবকিছু নিশ্চিত হয়েই পাঠানো হবে দল। যদিও দল জমা দেওয়ার পর নিদিষ্ট কিছুদিন সময় থাকে পরিবর্তন করার। এখন দেখার অপেক্ষা এই দুই তারকাকে দেখা যাবে কি না।

এর আগে সাকিবের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলা প্রসঙ্গে বোর্ড সভাপতি ফারুক আহমেদ জানিয়েছিলেন, সাকিব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মাঝে মাঝে যোগাযোগ চলছে। তিনি নিজেও ন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে তাকে দলে ফেরানোর চেষ্টা করবেন।

ফারুক আহমেদ বলেছিলেন, ‘সাকিবের এখনও অবসর হয়নি, তেমন কিছু হয়নি তার। ওর যা ইস্যুগুলো আছে সেগুলো নিয়ে সে মাঝে মাঝে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে, রাজনৈতিক জটিলতার বিষয়ে কি করা যায়। ওই ব্যাপারগুলোয় আমার সাহায্য করার কোনো ব্যাপার নেই।’

সাকিবের ব্যাপারটা তিনি ছেড়ে দিয়েছিলেন নির্বাচকদের ওপরেই, ‘তার ফিটনেস–মানসিক শক্তি দেখে সিলেকশন কমিটি আছে, তারা সিদ্ধান্ত নেবে।’

Google search engine