Google search engine

রাজনৈতিক কারণে দেশে ফিরতে পারছেন না সাকিব আল হাসান। এরমধ্যেই আবার বোলিংয়ে নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন তিনি। তাই সহসাই দেশের হয়ে খেলতে পারার সুযোগটা খুব কমই দেখছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক ও ঢাকা ক্যাপিটালসের কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। তবে দেশের নাগরিক হওয়ার কারণে একদিন দেশে ফিরবেন বলে নিশ্চিত তিনি।

চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ঢাকা ক্যাপিটালসের কোচ হিসেবে সুজনের দল প্রত্যাশিত ফলাফল আনতে ব্যর্থ হয়েছে। সাত দলের এই আসরে তারা রয়েছে ছয় নম্বরে। সম্প্রতি  এক সাক্ষাৎকারে  প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন সুজন। সেখানেই উঠে আসে সাকিবের প্রসঙ্গও।

সাকিবের অনুপস্থিতি কি টুর্নামেন্টের আকর্ষণ কমিয়ে দিয়েছে? দেশের সবচেয়ে প্রতিভাবান এবং আইকনিক খেলোয়াড় সাকিবের অনুপস্থিতি টুর্নামেন্টের ১১তম আসরের উপর প্রভাব ফেলেছে বলেই জানান সুজন, ‘সে (সাকিব) বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার।’

এরপর তার উত্তরের ব্যাখ্যায় বললেন, ‘একদিন তাকে অবসর নিতেই হবে। চিটাগং (কিংস) ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে কারণ সে খেলতে পারেননি। তারা সরাসরি সাইনিংয়ের মাধ্যমে তাকে নিয়েছিল। তারা যদি পরিস্থিতি বুঝতে পারত, তাহলে অন্য কাউকে নিতে পারত। তবে, তার মতো একজন খেলোয়াড় থাকা অনেক বড় বিষয়। সময় সবকিছু ঠিক করে দেবে।’

সাকিব সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছিলেন ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে এবং ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের পর থেকে বাংলাদেশের হয়ে কোনো ম্যাচ খেলেননি। আগামী মাসের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য ঘোষিত ১৫ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াডেও তিনি নেই। ফলে তার খেলার ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর আওয়ামী লিগের সাবেক সদস্য হওয়ায় তাকে দেশে ফিরতে নিষেধ করা হয় সরকারী মহল থেকে। তবে এই রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের সঙ্গে তার বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার কারণে আইসিসি আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তাকে ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে বিবেচনা করতে দ্বিধাগ্রস্ত করে তুলেছে নির্বাচকদের।

তবে সাকিবের ক্রিকেট এবং দেশে ফেরার বিষয়ে জানতে চাইলে সুজন বাস্তববাদী সুরে বলেন, ‘আমি মনে করি না সে আর খেলতে পারবে। অবশ্যই, একদিন তিনি দেশে ফিরবেন কারণ সে এই দেশের নাগরিক, কিন্তু আমি মনে করি না সে আর খেলা চালিয়ে যেতে পারবে।’

Google search engine