Google search engine

খুলনার নাইম শেখের ঝড়ো ফিফটির জবাবে ব্যাট হাতে বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দিলেন বরিশালের ডেভিড মালানও। তার ব্যাটে ভর করে হাইভোল্টেজ ম্যাচে ৫ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটের জয় তুলে নিল ফরচুন বরিশাল।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করেন খুলনা টাইগার্সের দুই ওপেনার মেহেদী মিরাজ ও নাইম শেখ। ওপেনিং জুটিতেই ৪৭ রান তুলে ফেলেন এই দুই দেশি ব্যাটার। এরপর ২৯ করে মিরাজ আউট হলেও অ্যালেক্স রসের সাথে ৫২ রানের জুটি গড়েন নাইম শেখ। দলীয় ৯৯ রানে আউট হওয়ার আগে ২৭ বলে ৫টি চার এবং ৩টি ছয়ে ৫১ রানের ঝড়ো এক ইনিংস খেলে যান তিনি।

এরপর আফিফের ৩২, বসিস্টোর ২০ এবং শেষ দিকে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ঝড়ো ২৭ রানের উপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ১৮৭ রান তোলে খুলনা টাইগার্স। বরিশালের পক্ষে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন ফাহিম আশরাফ। এছাড়া ১টি করে উইকেট পান মোহাম্মদ নবী, এবাদত হোসেন ও জেমস ফুলার।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১১ রানেই আউট হয়ে যান তাওহীদ হৃদয়। তবে এরপর তামিম ইকবাল ও ডেভিড মালান মিলে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেন। এই দুজনের ৯১ রানের জুটিতে ম্যাচে ফিরে বরিশাল। তবে এরপর ২৭ রান করে তামিম আউট হওয়ার পর বেশিক্ষণ টিকেননি মালানও। দলীয় ১২১ রানে আউট হওয়ার আগে এই ইংলিশ ব্যাটার মাত্র ৩৭ বলে ৮টি চার এবং ৩টি ছয়ের কল্যাণে ৬৩ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলে যান।

এরপর মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর জুটি গড়লেও দুজনকেই পরপর ২ বলে আউট করে ম্যাচ জমিয়ে তোলে খুলনা টাইগার্স। তবে শেষ পর্যন্ত ৫ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় ফরচুন বরিশাল। বরিশালের হয়ে শেষটা করেন ফাহিম আশরাফ ও মোহাম্মদ নবী। এর মধ্যে ফাহিম ১৮ রানে এবং নবী অপরাজিত থাকেন ১৫ রানে। খুলনার হয়ে ২টি উইকেট নেন আবু হায়দার রনি।

এই জয়ে রংপুরের সমান ১০ ম্যাচ খেলে এখন ফরচুন বরিশালেরও পয়েন্ট ১৬। তবে রানরেটে খানিকটা এগিয়ে থাকায় এখনো পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে রংপুর রাইডার্স।

Google search engine