Google search engine

‘অরে হাম কোই রিটায়ার নাহি হো রাহে হ্যায় (আরে আমরা অবসর নিচ্ছি না)’—চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের পর, বিরাট কোহলির সঙ্গে উদযাপনের মুহূর্তে রোহিত শর্মার এই মন্তব্য যেন আগত গুঞ্জন থামিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত। মাঠের ধারে ফটোগ্রাফাররা তাদের ছবি তুলছিলেন, যেন এটি তাদের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। কিন্তু রোহিত তখনই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন—এটাই শেষ নয়।

কিছুক্ষণ পর, সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি আরও পরিষ্কার করে দিলেন, ‘আরেকটা কথা, আমি এই ফরম্যাট থেকে অবসর নিচ্ছি না, যেন আর কোনো গুজব না ছড়ায়।’

কিন্তু আসরের শুরু থেকেই রোহিত সঙ্গে কোহলির অবসর নিয়েও ছিল অনেক জল্পনা কল্পনা। ভারতের কিংবদন্তী অনিল কুম্বলে থেকে শুরু করে অনেকেই তাদের বাদ দেওয়ার কথা বলেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং বললেন সেটাই। অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অধিনায়ক আশা করছেন রোহিত ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন।

আইসিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পন্টিং বলেন, ‘এই পর্যায়ে এসে সবাই আপনার অবসর নেওয়ার অপেক্ষায় থাকে। কিন্তু আপনি যদি এখনো সেরা খেলোয়াড়দের একজন হয়ে থাকেন, তাহলে অবসরের দরকার কী? আমার মনে হয়, রোহিতের মাথায় ২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালের হার এখনো ঘুরছে। তিনি চাইবেন আরেকবার সুযোগ নিতে, আইসিসি হোয়াইট-বল ট্রেবল (ওয়ানডে বিশ্বকাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি) সম্পন্ন করতে।’

এদিকে, জিয়োহটস্টারে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলার কথা সরাসরি নিশ্চিত করেননি রোহিত, ‘আমি বর্তমানে এক ধাপ করে এগোতে চাই। ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই বেশি ভাবতে চাই না। এটা বলা ঠিক হবে না যে আমি খেলব বা খেলব না। আমি আমার ক্রিকেট উপভোগ করছি, দলকে নেতৃত্ব দিতে ভালোবাসি। এখন শুধু এটুকুই গুরুত্বপূর্ণ।’২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের সেমিফাইনাল থেকে বিদায়ের পর তার ব্যাটিংয়ে বড় পরিবর্তন এনেছেন রোহিত। ওয়ানডে বিশ্বকাপে একশর বেশি স্ট্রাইক রেটে পাঁচশর বেশি রান করেছিলেন। যদিও ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হয়, কিন্তু মাত্র সাত মাস পর ভারতকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা এনে দেন তিনি। এবং এর ঠিক নয় মাস পর, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতে টানা দুই বছরে দুইটি আইসিসি ট্রফি জয়ী প্রথম ভারতীয় অধিনায়ক হয়ে ওঠেন।নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালে ৭৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হন রোহিত। ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০১৯-এ ৫টি সেঞ্চুরি করা রোহিতের প্রথম পাওয়ারপ্লেতে স্ট্রাইক রেট ছিল মাত্র ৬৭.৭৪, যা ২০১৫-১৯ সময়কালে ৭৫.৮১ ছিল। কিন্তু ২০২০ সালের পর থেকে এটি ১১৫.৫১-তে উন্নীত হয়েছে।

Google search engine