
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশাজীবী মানুষ একাত্মতা প্রকাশ করলেও চুপ ছিলেন সাকিব আল হাসান। ছাত্র-জনতার পাশে যখন সাকিবের দাঁড়ানোর প্রয়োজন ছিল ঠিক সেই মুহূর্তে কিনা তার স্ত্রী শিশির পরিবারসহ কানাডার সাফারি পার্কে ঘুরতে যাওয়ার ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন।
সেই ছবি দাবানলের মতো সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন সাকিব। এতদিন সে সময় নিজের চুপ থাকা এবং সেই ছবি শেয়ার করা ঠিক ছিল কিনা তা নিয়ে কোনো কিছুর উত্তর দেননি তিনি।রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের কয়েক মাস পর অবশেষে মুখ খুলেছেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। দিয়েছেন ছবির ব্যাখ্যাও।গতকাল বাংলাদেশের একটি ইংরেজি দৈনিককে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় সাফারি পার্কের সেই ছবির ব্যাখা দিয়েছেন সাকিব। তিনি বলেছেন, ‘‘সত্যি বলতে, বেশ কিছুদিন ধরেই তখন দেশের বাইরে ছিলাম।প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ ক্রিকেট (এমএলসি) খেলতে গেলাম, তারপর কানাডায়। ছবিটি কানাডায় তোলা হয়। নিজে এটি পোস্ট করিনি। তবুও, এর দায়ভার নিচ্ছি।ছবির প্রতিক্রিয়া যে এমন হবে কখনো কল্পনা করেননি বলে জানিয়েছেন সাকিব। তিনি বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, ভাবিনি এটা (ছবিটা) এতটা ছড়িয়ে পড়বে। প্রতিক্রিয়া শুরু হওয়ার পর, বুঝতে পেরিছি পরিস্থিতি কতটা গুরুতর। অনেকে আমাকে বলেছে, ওই সময়ে ওই ছবি দেখে তারা কষ্ট পেয়েছে। এখন বুঝতে পারছি, ওটা একটা ভুল ছিল। এমনকি অন্যরাও একই রকম জিনিস পোস্ট করলেও, আমারটা বেশি মনোযোগ পেয়েছে। এটার কারণ হয়তো আমি বলেই হয়েছে। আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল।’




