
মঞ্চ প্রস্তুতই আছে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু-পাঞ্জাব কিংসের মধ্যে যেই জিতবে সেই প্রথমবারের মতো আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হবে। সেই লক্ষ্যে আজ প্রথমে ব্যাটিং করে ১৯০ রানের দলীয় স্কোর পেয়েছে বেঙ্গালুরু।
ইনিংসের প্রথম ওভারে ১৩ রান নিয়ে বেঙ্গালুরুকে দারুণ শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ফিল সল্ট।তবে শুরুর ইঙ্গিত দ্রুতই শেষ হয়ে যায়। দলীয় ১৮ রানে ইংল্যান্ডের ব্যাটার সল্ট (১৬) ফিরে গেলে। তার মতোই দুটি ছোট ইনিংস খেলে রানের চাকা সচল রাখেন মায়াঙ্ক আগারওয়াল (২৪) ও অধিনায়ক রজত পাতিদার (২৬)।
তিন সতীর্থ বিদায় নিলেও ম্যাচে অ্যাঙ্করের ভূমিকা পালন করছিলেন বিরাট কোহলি।দায়িত্বটা পালন করতে গিয়ে চাপটা যেন একটু বেশিই নিয়ে নেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক। কেননা ৪৩ রান করতেই যে ৩৫ বল খেলেছেন তিনি। ওয়ানডে স্টাইলে এমন ব্যাটিংয়ের চাপটা হয়তো কখনো আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হতে না পারার।
সে যাই হোক শেষ পর্যন্ত দুই শ ছুঁই ছুঁই স্কোরটা বেঙ্গালুরু পায় লিয়াম লিভিংস্টোন ও জিতেশ শর্মার দুটি বিশোর্ধ্ব ইনিংসে।জিতেশের ২৪ রানের বিপরীতে ২৫ রান করেন লিভিংস্টোন। অবশ্য এক চার ও এক ছক্কায় ১৭ রান করা রোমারিও শেফার্ডের অবদানও কম নয়।
অবশ্য শেষ ওভারটা যদি এমন দুর্দান্ত না করতেন আর্শদ্বীপ সিং তাহলে দুই শ স্পর্শ করতে পারত বেঙ্গালুরু। শেষ ওভারে মাত্র ৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন ভারতের বাঁহাতি পেসার। তার মতো সমান ৩ উইকেট পেয়েছেন নিউজিল্যান্ডের পেসার কাইল জেমিসন।




