
যখন আমি আর তৌহিদ ব্যাটিং করছিলাম। আমার মনে হয় আমরা ভালো ব্যাটিং করছিলাম। আমরা ইতিবাচকভাবে খেলাটা কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং খেলাটা আরও গভীরে নিয়ে যেতে হবে তা নিয়ে আলোচনা করছিলাম। যদি আমরা শেষ ১০ ওভারে বলটা নিয়ে যেতাম, তাহলে আমাদের জন্য এটা সহজ হতো। আমাদের কিছু ভুল ছিল। আমাদের ওপেনিং স্পটটা চিন্তার মধ্যে আছে। হ্যাঁ, আমরা নতুন দল। অনেক নতুন ছেলে আসছে এবং আমরা এখান থেকেই ইতিবাচক চিন্তা করছি।… মেহেদী হাসান মিরাজ
মনে আছে সেই ম্যাচটার কথা? এটা ছিলো বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ানস ট্রাফি নিশ্চিত করার জন্য ডু অর ডাই ম্যাচ। এই ম্যাচটা এখনো বহু আলোচিত সমালোচিত সেই ঐতিহাসিক টাইম আউট ঘটনা।
এই ম্যাচটি ছিলো ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ এটাতে জয় পেলে আমরা পাবো চ্যাম্পিয়ানস ট্রাফির টিকিট হারলে চ্যাম্পিয়ানস ট্রাফি খেলার যোগ্যতা হারাবো সুযোগ পাবে শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কা ওই ম্যাচ বাংলাদেশকে ২৮০ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশ টার্গেট লক্ষ্য করে ব্যাট করতে নেমে ৪১ রানেই বাংলাদেশের দুই ওপেনার আউট হয়ে যান তখন ৪নাম্বার পজিশনে খেলতে নামেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান সাথে অপর প্রান্তে সঙ্গী থাকে শান্ত।
শান্তকে সাথে নিয়ে ওই চাপের মুহূর্তে বাংলাদেশকে চ্যাম্পিয়ানস ট্রাফির টিকিট দিতে শ্রীলঙ্কার বোলারদের ওপর চওড়া হয়ে উঠলেন সাকিব শুরু থেকেই করলেন কাউন্টার অ্যাটাক। লঙ্কান বোলারদের পরিকল্পনা করলেন লন্ডভন্ড বাংলাদেশ যেখানে ছিলো উইকেট হারানোর চাপে সাকিব শান্তর জুটিতে পরক্ষণেই লঙ্কানরা চাপে পড়ে গেলে। সাকিব শান্তের জুটিগড়লে ১৬৯ রানের জয় সূচক জুটি । সাকিব করলেন ৬৫ বলে ৮২ রান। বলে রাখা ভালো তখন সাকিব ভুগতেছিলেন তার চোখের সমস্যায় তবুও সাকিব ভালো করে চোখে না দেখে যা খেলে দিয়েছিলো এখনকার কেউই সেটা পারছে না দলের গুরুত্বপূর্ণ সময় দলের হাল ধরতে।
সাকিব ৮২ রান করে আউট হয়ে বাংলাদেশের জয় প্রায় নিশ্চিত করে ডাগআউটে ফিরে যান। বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ানস ট্রাফির টিকিট নিশ্চিত করার জয়ের ম্যাচের নায়কও ছিলো সাকিব ব্যাটে বলে পারফরম্যান্স করে দলে জয় উপহার দেবার পাশাপাশি উপহার দেন চ্যাম্পিয়ানস ট্রাফির টিকিট।
বাংলাদেশ দলে সকল খেলোয়াড়দের রিপ্লেসমেন্ট বাংলাদেশ প্রায় গেয়ে গিয়েছে কিন্তু এখনো বাংলাদেশ সাকিবের রিপ্লেসমেন্ট খুজে পাচ্ছে না যে ব্যাটে বলে প্রতিটা ফর্মেটে সমান তালে পারফরম্যান্স করবে। বাংলাদেশ কেনো পুরো বিশ্বক্রিকেটে এমন একজনই ছিলো যে তিন ফর্মেই সেরা পারফর্মার ছিলো ছিলো জ্যাক ক্যালিস থেকে শুরু করে রাশিদ খানদের যুগ পর্যন্ত বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। সাকিব আল হাসান বিশ্ব ক্রিকেটে ওই একটাই ছিলো আছে আর একটাই থাকবে।
