
মোঃ লিমন শাহরিয়ার:
বাংলাদেশ ক্রিকেটে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে নাজমুল হোসেন শান্ত।
ওয়ানডে অধিনায়কত্ব হারানোর পর অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো আর দেখা যাবে না শান্তকে নেতৃত্বের আসনে। কিন্তু সময়ের ঘূর্ণি যেন আবার ফিরিয়ে আনছে তাকেই টেস্ট দলের হাল ধরতে আবারও মাঠে নামছেন শান্ত!
ওয়ানডে নেতৃত্ব নিয়ে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, শান্তর সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল দায়িত্ব থেকে। বিষয়টি মন থেকে নিতে পারেননি তরুণ এই ব্যাটার। যার ফলেই গত জুনে শ্রীলঙ্কা সফরের পর টেস্ট নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন তিনি। তবে ক্রিকেট বোর্ডের ভাবনা এবার ভিন্ন।
নতুন করে টেস্ট অধিনায়ক নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন মেহেদী হাসান মিরাজের ওয়ানডে দায়িত্বের চাপও চোখে পড়ছে বোর্ডের। পারফরম্যান্সের গ্রাফ নিচে নামায়, বোর্ড আর নতুন কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত ফিরে আসছেন পুরনো ক্যাপ্টেন, নাজমুল হোসেন শান্ত।
বিসিবির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শান্ত নিজেও ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচ শেষে চট্টগ্রামে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও বোর্ড সদস্যরা বসেছিলেন জরুরি বৈঠকে। সেখানেই চূড়ান্ত হয় আয়ারল্যান্ড সিরিজে টেস্ট অধিনায়ক হবেন শান্ত।
এর আগে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় লিটন দাস ও মিরাজের নাম ছিল। তবে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারের পর লিটনের এক সতীর্থকে নিয়ে মন্তব্য ভালোভাবে নেয়নি বোর্ড। অন্যদিকে, মিরাজের নেতৃত্ব সামর্থ্য নিয়েও ছিল সংশয়। ফলে নেতৃত্বের পালা আবার ফিরছে সেই শান্তর হাতে, যিনি একসময়ই ছিলেন দলের নির্ভরতার প্রতীক।
বাংলাদেশ এখন তিন সংস্করণেই আলাদা অধিনায়ক রাখার নীতিতেই এগোচ্ছে। ফলে শান্তর প্রত্যাবর্তন কেবল ব্যক্তিগত নয়, এটি হতে পারে বাংলাদেশ টেস্ট দলের নতুন দিকচিহ্নও।




