
জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের যৌন হয়রানির অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় চলছে দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে। অভিযোগের তীর সাবেক কর্মকর্তা মঞ্জুরুল ইসলামের দিকে যিনি বর্তমানে চীনে ক্রিকেট উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। নারী দলের সঙ্গে কাজ করার সময় তার আচরণ ও কথাবার্তা ছিল অপমানজনক ও লাঞ্ছনামূলক, এমনটাই দাবি জাহানারার।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জাহানারা সরাসরি মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলেন। তার এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই আলোড়ন সৃষ্টি হয়। প্রশ্ন উঠেছে, জাতীয় দলের সাবেক এক কর্মকর্তা কীভাবে নারী ক্রিকেটারদের প্রতি এমন আচরণ করতে পারেন?
বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় অর্থাৎ ২০২১ সালে জাহানারা একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছিলেন। তবে বর্তমানে বোর্ডের কাছে নতুন কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। এ বিষয়ে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছেন, “জাহানারার অভিযোগ আমরা দেখেছি। তবে নতুন করে এখনো কিছু লিখিত পাইনি। অভিযোগ এলে অবশ্যই আমরা সিরিয়াসভাবে দেখব।
এরই মধ্যে বিসিবি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বোর্ড জানিয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত রিপোর্ট জমা দেবে এই কমিটি।
আজ (রোববার) বিসিবির কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিসিবি সভাপতি বুলবুলের কণ্ঠে ছিল কঠোরতা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন,
যৌন হয়রানি বা অনৈতিক আচরণের বিষয়ে আমাদের অবস্থান একটাই — জিরো টলারেন্স।
বুলবুলের এই ঘোষণা বোঝায়, নারী ক্রিকেটে কোনো প্রকার অবমাননাকর আচরণ বা অশোভন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।




