
মোঃ লিমন শাহরিয়ার:
নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ আর ভারতের বিপক্ষে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচ! এই দুই লড়াই ঘিরেই এখন ব্যস্ত সময় পার করছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামেই হবে দুটি ম্যাচ, আর প্রস্তুতি চলছে বসুন্ধরা কিংস এরেনায়।
আজ অনুশীলনের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে শোনা গেল জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড রাকিব হোসেনকে। দর্শকদের উৎসাহ, হামজা চৌধুরীর যোগদান, দলের পারফরম্যান্স! সব মিলিয়ে আশাবাদী রাকিবের চোখ এখন একটাই লক্ষ্য: ভারতের বিপক্ষে জয়ে বছর শেষ করা।
ফুটবলের মাঠে দর্শকই নাকি আসল শক্তি এমনটাই মনে করেন রাকিব। তিনি বলেন, “দর্শক আমাদের মাঠে এনার্জি দেয়। এবার খুব দ্রুত টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে, এটা আমাদের জন্য দারুণ প্রেরণা, বিশেষ করে ভারতের বিপক্ষে।
ইংল্যান্ডে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার হামজা চৌধুরীর দলে যোগে নতুন উদ্দীপনা এসেছে বলেও জানালেন তিনি। “হামজা ভাই আসার পর দলের মনোবল অনেক বেড়ে গেছে। তিনি খুব প্রফেশনাল, দলে তাঁর উপস্থিতিই বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে,” বলেন রাকিব।
গোলের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চান এই ফরোয়ার্ড, “আমরা ফরোয়ার্ডরা সবসময় গোলের জন্যই খেলি। জিততে হলে গোল করতেই হবে।
হংকংয়ের বিপক্ষে নিজের সেলিব্রেশন নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক নিয়েও খোলামেলা রাকিব। বলেন, “সিঙ্গাপুরের ম্যাচে গোল করার পর আমি তাড়াহুড়া করেছিলাম বল নিতে। কিন্তু হংকংয়ে দর্শকরা বাজে ইঙ্গিত করেছিল, তাই সেলিব্রেশন করেছি। ভবিষ্যতে যেন এমন না হয়, আমরা খেয়াল রাখব।
সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে দলের উন্নতিতেও খুশি তিনি। “আমরা এখন অনেক ভালো ফুটবল খেলছি। কিছু ম্যাচে ভাগ্য সহায় ছিল না, কিন্তু বল দখলে ও খেলার মানে স্পষ্ট উন্নতি হয়েছে,” জানান রাকিব।
দেশের মাটিতে আত্মবিশ্বাসী রাকিবের সোজা বার্তা
“বাংলাদেশের মাঠে আমরা সবসময় ভালো খেলি। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটা এ বছরের শেষ ম্যাচ, তাই জয় দিয়েই বছরটা শেষ করতে চাই।




