Google search engine

টেস্ট ফরম্যাটে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো চার বাংলাদেশি টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানই ছুঁয়েছেন অর্ধশতকের মাইলফলক। এমন রেকর্ডে সিলেট টেস্টের সকালটা রাঙাল টাইগাররা। আগের দিনে জয়, সাদমান, মুমিনুলের পর আজ পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলে রেকর্ডের পাতায় নাম লিখিয়েছেন অধিনায়ক।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। আগের দিনের নায়ক মাহমুদুল হাসান জয় সকালে খুব বেশি দূর যেতে পারেননি—ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংসটিতে আরও মাত্র ২ রান যোগ করেই ফেরেন সাজঘরে। ম্যাকার্থির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন ১৬৯ রানে। ডাবল সেঞ্চুরির স্বপ্নটা হাতছাড়া হলো অল্পের জন্যই।

তারপরেই ফেরেন মুমিনুল হক। সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় গিয়েও পারেননি শতকের দেখা পেতে। ম্যাকার্থির পরের ওভারে বালবার্নির হাতে ধরা পড়ে থামেন ৮২ রানে। ১৩২ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কার ইনিংসের সমাপ্তি টানেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।

 

৯৯তম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ মুশফিকুর রহিমও। সেট হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি সবচেয়ে অভিজ্ঞ এই টাইগার। ৫২ বলে ২৩ রান করে হামফ্রিসের বলে বালবার্নির হাতে ক্যাচ দেন তিনি। তবে এক প্রান্তে দৃঢ় ছিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

সকালে একের পর এক উইকেট পতনের মাঝেও শান্ত ছিলেন নাজমুল হোসেন। তাতেই তুলে নেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ অর্ধশতক। শান্তের ফিফটিতে প্রথমবার বাংলাদেশের চার টপঅর্ডার পেয়েছেন ফিফটির দেখা। যদিও ফিফটিকে শান্ত ক্যারিয়ারের ৮ম শতকে রূপান্তর করেছেন।

পাঁচে নামা মুশফিক ফিফটির দেখা না পেলেও ছয়ে নেমে অর্ধশতক করেছেন লিটন দাস। ওয়ানডে মেজাজে করা ফিফটির পর ৬৬ বলে ৬০ করে বিদায় নিয়েছেন তিনি। দিনের প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশ, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হারিয়েছে আরও ৩ উইকেট।

Google search engine