
২০০৯ সালের সেই বিভীষিকাময় সকাল লাহোরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে থমকে গিয়েছিল ক্রিকেট দুনিয়া। রক্তাক্ত হয়েছিল শ্রীলঙ্কা দলের সফর, থেমে গিয়েছিল পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনও। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় কেটে গেছে, তবু সেই দাগ রয়ে গেছে লঙ্কানদের মনে।
এবার আবারও পাকিস্তানের মাটিতে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে এসেছে শ্রীলঙ্কা। এমন সময় দেশটিতে ঘটে নতুন এক বোমা হামলার ঘটনা, যা আবারও বাড়িয়েছে উদ্বেগ। কিন্তু এবার পাকিস্তান বলছে ‘ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে না।’
দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির নিজে ফোনে ও লিখিতভাবে শ্রীলঙ্কা বোর্ডকে আশ্বস্ত করেছেন, সফররত দলের নিরাপত্তায় থাকবে “রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ প্রহরা। এই নিশ্চয়তা দিয়েছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভিও।
নাকভি জানান, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার পর শ্রীলঙ্কান কর্মকর্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু সেনাপ্রধানের পক্ষ থেকে পূর্ণ নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর তারা নিশ্চিন্ত হয়েছেন।
এদিকে পাকিস্তানের সিনেটেও পাস হয়েছে এক বিশেষ প্রস্তাব, যাতে শ্রীলঙ্কার সফর চালিয়ে যাওয়ার সাহসিকতার প্রশংসা জানানো হয়েছে। আইনমন্ত্রী আজম নজির তারারের উপস্থাপিত সেই প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
দুই দেশের বন্ধুত্ব ও বিশ্বাসের এই বন্ধন এখন শুধু ক্রিকেট নয়—এ এক দৃঢ় বার্তা,
ভয় নয়, ভরসাই এগিয়ে নেয় সামনে।




