Google search engine

এক ওভারহাইপড দ্বৈরথ। ভারতের সাথে শক্তির তুলনায় পাকিস্তান যেন যোজন যোজন পিছিয়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে সেই জিনিসটাই আবার প্রমাণিত হয়েছে। এর থেকে বরং পাকিস্তান না খেললেই সম্মান কিছুটা হলেও রক্ষা পেত। ৮-১ ব্যবধান কমাতে পাকিস্তানের কেটে যাবে সহস্র বছর।

চারিদিকে সোরগোল, প্রচুর জলঘোলার পর ম্যাচটা মাঠে গড়িয়েছে অবশেষে। তাইতো ক্রিকেট বিশ্বের চোখ ছিল ম্যাচটির দিকে। ভারতীয় দর্শক ছাড়া বাকিরা যারপরনাই নিরাশ হয়েছেন। বিন্দুমাত্র প্রতিরোধ করতে পারেনি পাকিস্তান। আবারও এক এক পেশে নামকাওয়াস্তে চিরপ্রতিদ্বন্দীতা হয়েছে মঞ্চস্থ।

ম্যাচের শুরু থেকেই কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম কানায় কানায় পূর্ণ। নীলের সমুদ্রে সবুজের সজীবতার মিশ্রণ। টসে হেরে প্রথমে ভারতের ব্যাটিং। প্রথম ওভারেই শূন্যরানে অভিষেক শর্মা ফেরেন প্যাভিলিয়নে। সবাই ধরেই নিয়েছিল পাকিস্তান এবার লড়াই করবে। কিন্তু সেই ভাবনাকে ভুলিয়ে দিতে খুব একটা সময় নেননি ঈশান কিষাণ। ৪০ বলে ৭৭ রানের ইনিংসে পাকিস্তানের মনবল ভেঙে দেন।

এরপর অবশ্য সাইম আইয়ুবের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ভারতকে খানিকটা আটকে রাখতে সক্ষম অবশ্য হয়েছিল বটে। কিন্তু তবুও ১৭৫ রানের সংগ্রহ গড়ে ফেলে সুরিয়াকুমার যাদব ও তার দল। সেই লক্ষ্যমাত্রা টপকানোর যাত্রায় প্রথম ওভারেই পাকিস্তান খেই হারায়। শাহিবজাদা ফারহান ফেরেন শূন্যরানে। এক ছক্কা হাঁকিয়ে সাইম আইয়ুব বনে যান জাসপ্রিত বুমরাহের শিকার।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতন ঘটতে থাকে। নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়ে পাকিস্তানের ব্যাটাররা গায়ের জোড়ে খেলতে থাকে। তাদের এলোমেলো পরিকল্পনার পূর্ণ ফায়দা তুলে নেন ভারতীয় বোলাররা। তাতে করে ১১৪ রানে সব উইকেট হারিয়ে সাজঘরে ফেরে সালমান আলী আঘার দল।

৬১ রানের বিশাল জয়ে ভারত আবার নিজেদের শক্তিমত্তা জাহির করল। পাকিস্তানের এমন করুণ দশায় দুই দলের মধ্যকার হেড টু হেড পরিসংখ্যান ৮-১ এ গিয়ে দাঁড়াল। তাইতো এখন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে মনে হয়ে মনগড়া বাণিজ্যিক প্রোডাক্ট। বাণিজ্য ছাড়া আর কিছুই বাকি নেই এই দ্বৈরথে। প্রশ্ন জাগে, ম্যাচের আগের সব টালবাহনা কি এ কারণেই?

Google search engine