Google search engine

মোঃ লিমন শাহরিয়ার:

কুরাসাও ক্যারিবিয়ান সাগরের ছোট্ট এক দ্বীপ, কিন্তু স্বপ্নটা এবার বিশাল।
বিশ্ব ফুটবলের মানচিত্রে নামটা খুব একটা শোনা যায় না, অথচ বিশ্বকাপের দরজায় কড়া নাড়ছে তারাই। মাত্র ১ লাখ ৫৬ হাজার জনসংখ্যার দেশ বিশ্বকাপ মঞ্চে উঠতে পারলে এটা হবে ইতিহাসের সবচেয়ে ক্ষুদ্র দেশের অংশগ্রহণ। আইসল্যান্ড আর কেপ ভার্দের রূপকথার পর এবার নতুন অধ্যায় লিখতে তৈরি কুরাসাও।

হ্যামিল্টনে গতকাল বারমুডাকে ৭–০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে যেন ঘোষণা করেই দিয়েছে ‘আমরাও পারি।’
এখন শুধু অপেক্ষা ১৯ নভেম্বরের ম্যাচের। জ্যামাইকার বিপক্ষে একটা ড্র পেলেই চলবে। তাতেই তারা উঠে যাবে সেই মঞ্চে, যেখানে ওঠার স্বপ্ন দেখে কোটি কোটি মানুষের দেশগুলো।

ক্যারিবিয়ান সাগরের নীল জলরাশির মাঝখানে ছোট্ট দুটি দ্বীপ কুরাসাও আর জনবসতিহীন লিটল কুরাসাও।
ভৌগোলিকভাবে দক্ষিণ আমেরিকার কাছাকাছি হলেও খেলাধুলার মঞ্চে তারা কনক্যাকাফের যোদ্ধা। ইতিহাসের পথ ধরে ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডস এন্টিলিস ভেঙে আলাদা সত্তা পেয়েছে দেশটি। এখনো রয়ে গেছে ডাচ প্রভাব ভাষা, সংস্কৃতি, এমনকি প্রতিরক্ষানীতিতেও।

কিন্তু ফুটবলের মঞ্চে তারা পুরোপুরি নিজেদের। নেদারল্যান্ডস ও রেঞ্জার্সের সাবেক কোচ ডিক অ্যাডভোকাট এসে যেন বদলে দিয়েছেন দলের মানচিত্র। বারমুডার বিপক্ষে জোড়া গোল করা জর্ডি পাউলিনার মতো খেলোয়াড়েরা ইউরোপের শীর্ষ লিগেও খেলেছেন। জনসংখ্যা কম বলেই প্রতিভা কম এই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করতেই যেন মাঠে আগুন ঝরাচ্ছে কুরাসাও।

এবার হয়তো নতুন এক রূপকথার জন্ম হতে যাচ্ছে… সবচেয়ে ছোট দেশ, সবচেয়ে বড় স্বপ্ন… আর সেই স্বপ্নের দরজায় দাঁড়িয়ে কুরাসাও।

Google search engine