
চ্যাম্পিয়নশিপে প্রতিপক্ষকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করলো ইংল্যান্ড। বুকাইয়া সাকা, হ্যারি কেইনরা গুণে গুণে সাত গোল দিয়েছে উত্তর মেসিডোনিয়াকে। একে এক সাত গোল হজম করলেও মেসিডোনিয়া একটি গোলও পরিশোধ করতে পারেনি। ৭-০ গোলের বড় জয়ে মাঠ ছাড়ে ইংলিশরা।
ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এক তরফা ম্যাচে ইংলিশদের আক্রমণ ঠেকাতেই হিমশিম খেয়েছে প্রতিপক্ষরা। সাত গোলের ম্যাচটিতে হ্যাটট্রিক করেছেন বুকাইয়া সাকা, জোড়া গোল করেছেন হ্যারি কেইন, মার্কোস র্যাশফোর্ড ও কেলভিন ফিলিপসও করেছেন একটি করে গোল।
ম্যাচের ২৯তম মিনিটে হ্যারি কেইন গোলের শুরু করেন। তার গোলে লিড নেওয়ার মিনিট দশেকের মাথায় সাকার গােলে ফ্রান্স এগিয়ে যায় ২-০ গোলে। ৩৮তম মিনিটেই নিজের প্রথম গোলটি করেন তিনি। বিরতির আগে ৪৫তম মিনিটে মার্কোস র্যাশফোর্ড উত্তর মেসিডোনিয়ার জালে তৃতীয়বারের মতো বল পাঠান। ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ইংলিশরা।
বিরতির পরও গোলের বন্যা অব্যাহত রাখে কেইনরা। মিনিট দু’একের মাথায় জোড়া গোল পূর্ণ করেন সাকা। ৪৭তম মিনিটে তার গোলেই ইংল্যান্ড এগিয়ে যায় ৪-০ গোলে। হ্যাটট্রিক পূর্ণ করতেও বেশি বিলম্ব করেননি তিনি। মিনিচ চারেক পরেই ম্যাচের ৫১তম মিনিটে হ্যাটট্রিক করেন সাকা। ইংল্যান্ডের লিড হয়ে যায় ৫-০ গোলে।
বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়া উত্তর মেসিডোনিয়া আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ৬৪তম মিনিটে কেলভিন ফিলিস ব্যবধান করে ফেলেন ৬-০। ৭৩তম মিনিটে নিজেদের ভুলে সাত গোল হজম করে তারা। পেনাল্টি উপহার দেয় ইংলিশদের। হ্যারি কেইন জোড়া গোল পূর্ণ করেন। তাতেই ইংলিশদের ৭-০ গোলের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।
