
মোঃ আকাশ খান:
শেষ ৩ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৩৩ রান। জাকের আলী বড় শট খেলতে হাঁসফাঁস করছিলেন। ফলে অন্যপ্রান্তে থাকা তানজিদ হাসান তামিম পড়ছিলেন চাপে। সেই চাপেই ১৮তম ওভারের প্রথম ফলে রোমারিও শেফার্ডের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন ৪৮ বলে ৬১ রান করা এই ওপেনার।
এরপর উইকেটে আসেন শামীম হোসেন পাটোয়ারি। এরপর জাকের বড় শটের নেশায় ফিরেছেন ১৮ বলে ১৭ রান করে। তাকেও বিদায় করেন শেফার্ড। ১৮ বলে ১৭ রান আসে জাকেরের ব্যাট থেকে। পরের ওভারে শামীম আউট হন জেসন হোল্ডারের বলে বোল্ড হয়ে। শেষ ওভারে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৮ রানের। সেই সমীকরণ মেলাতে পারেননি রিশাদ হোসেন ও তানজিম হাসান সাকিব। শেষ ওভারে আকিল হোসেনকে উইকেট দিয়েছেন রিশাদ। রানের খাতাই খুলতে পারেননি তিনি। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১৪ রানের হার নিয়ে সিরিজ হাতছাড়া হয়েছে বাংলাদেশের।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেয়া দেড়শ রানের লক্ষ্যে তাড়া করতে নেমে শুরুতে দেখেশুনে খেলেছেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। জীবন পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি সাইফ। তিনি মাত্র ৫ রান করে আউট হন। ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়। বাংলাদেশ ৮৫ রানের মধ্যেই হারায় ৩ উইকেট।
তখনও একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলছিলেন তানজিদ। তাকে ভালোই সঙ্গ দিচ্ছিলেন জাকের আলী। তাকে নিয়ে মাত্র ৩৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন তানজিদ। সেই ওভারেই দলীয় একশ রানের গন্ডিও পেরিয়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর লাগাতার উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। উইকেটে থিতু হয়েও ম্যাচ শেষ করতে পারেননি তানজিদ-জাকেররা। লোয়াড় অর্ডার ব্যাটাররাও নাটকীয় কিছু করতে পারেননি।
অ্যালিক আথানেজ ও শাই হোপ যখন ব্যাটিংয়ে ছিলেন, তখন মনে হচ্ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ দুইশ ছাড়িয়ে যেতে পারে। কারণ প্রথম দশ ওভারে তাদের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৯৪। সেখান থেকেই ১২ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে দেড়শও করতে পারে ক্যারিবিয়ানরা।




